দুপুরে হঠাৎ একটা ফোন পেয়ে জানলাম শাহ আলীর মাজারে ওরস চলছে। বাসার কাছে হওয়ায় ওরস দেখার সুযোগ ছাড়তে মন চাইল না। কিন্তু অসুস্থ শরীর নিয়ে ভিড় ভা ট্টায় যাওয়া ঠিক হবে কিনা সে নিয়েও কিছুটা দন্দ্ব ছিল। সঙ্গী জোটাতে দুইজনকে ফোন দিলাম। এরমধ্যে একজন ফটোগ্রাফার হওয়ায় তাকে `ছবি তুলতে পারবি আয়` টাইপ টোপ গেলানো একটু সহজ হল। আরেকজন শেষ মুহুর্ত পর্যন্ত যাব না, যাব না করে শেষে রাজি হল। তিনজন মিলে মাজারের প্রধান গেটের কাছে অটোরিক্সা থেকে নামতেই দেখি ভিতরে ঢোকার লম্বা লাইন। পুলিশি পাহারায় আমরাও সার বেধে ঢুকলাম। বিশাল এলাকা জুড়ে রমরমা আয়োজন। লাল-নীল লাইটিং এ উৎসবের আমেজ। ঢুকতেই দেখি সিন্নি খিচুরি নেয়ার জন্য লম্বা বাটি লাইন। সেটাকে পাশ কাটিয়ে বাম দিক দিয়ে খানিকটা এগুতেই র্যাব এর সেন্টার। সেটি পার হয়েই দেখি বাঁশের প্যান্ডেল দিয়ে অসংখ্য ছোট ছোট আখড়া। সেখানে ছোট ছোট দলে বসে মারফতী গান-বাজনা, ধূপ-ধুনো চলছে। ওরস উপলক্ষ্যে সারা দেশ থেকেই সাধু-সন্ন্যাসী, বাউল-সাধকরা এসে আস্তানা গেড়েছেন। প্রতিটি ছোট আসরেই ৫/১০ জনের দল। মোমবাতি জ্বালিয়ে কল্কিতে দম দেয়া চলছে। প্রায় শখানেক এরকম আসর বসেছে।...
The thoughts ring echoes inside, the words carry symbols. visuals emerge into the reflections. I glide-swim past those reflections and echoes. Echoes tune with the amassing fishes in the deep, so the words possess no tears! - Hasiba ali borna. /// ভাবনাগুলো মাথার ভেতরে প্রতিধ্বনি তোলে, শব্দেরা সংকেত দেয়। চারপাশের দৃশ্য কেবলই প্রতিচ্ছবি জাগায়। এসব প্রতিধ্বনি আর প্রতিচ্ছবির মধ্যে আমি সাঁতরে বেড়াই। জলের ভেতর মাছেদের সঙ্গে খেলছে প্রতিধ্বনি, শব্দের চোখে তাই জল নেই! - হাসিবা আলী বর্ণা